বাপ দাদার ধর্ম টিকিয়ে রাখার জন্য নবীজির চাচা আবু তালেব কাফের হয়ে মরেছে - বাংলার মুসলিম

Breaking

বাংলার মুসলিম

আমরা গর্বিত-দেশপ্রেমী-ভারতীয়-বাঙ্গালী মুসলমান

test banner

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Friday, July 21, 2017

বাপ দাদার ধর্ম টিকিয়ে রাখার জন্য নবীজির চাচা আবু তালেব কাফের হয়ে মরেছে



আমাদের সমাজে এখনো বাপ দাদার অজুহাত দেয়া হয়।

আবু তালেবের মৃত্যুর সময় এই আবু জেহেল ই বলেছিল কালেমা পড়ে বাপদাদার মুখে চুনকালি দিওনা, এজন্য আবু তালেব ঈমান নিয়ে মরতে পারে নাই।

আবু তালেব জানতো কোরআন আল্লাহর বানী, বাপদাদার মুখে চুনকালি পড়বে ভেবে সত্য মেনে নিতে পারেনাই। নিকৃষ্ট কাফের হয়ে মরতে হয়েছে।

এখনো কিছু লোক আছে ইসলামে বাপদাদার দোহাই দেয়।

আরে মিঞাভাই, আর কিছুতে বাপদাদার দোহাই দেননা কেন??

বাপের জন্মে এসব শুনেন নি!

শুনবেন কি করে,শুনার তো সুযোগ ছিলোনা।
শুনছেন শুধু হুজুরের আজগুবি কিচ্ছা কাহিনী।
আজ শুনার সুযোগ হয়েছে,
শুনে নিন। যাচাই করে নিন।
কোরআন হাদীস সম্মত হলে গ্রহন করুন।
ইসলামে বাপদাদার দোহাই চলেনা।

বাপদাদার হিসাব বাপদাদারা দিবেন,আপনার হিসাব বাপদাদারা জিজ্ঞাসীত হবেন না।
আপনার হিসাব আপনাকেই দিতে হবে।

এরপরও যারা মুখ ফিরিয়ে নেয় আসলে
প্রকৃতপক্ষে এরাই আবু জেহেলের উত্তরসূরী।

কিছু নমুনা দেখুন-

(১) বাপ-দাদারা কি এতদিন ভুল করে আসছেন!
(২) অধিকাংশ মানুষই কি ভুল করে আসছে!
(৩) এত বড় বড় আলেম তো এভাবেই আমল
করে আসছেন!

তারা কি ভুল করে গেছেন!

মূলত এই তিনটি অজুহাতে মানুষ কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর দাওয়াতকে পরিত্যাগ করে।

“অধিকাংশ” কোন দলীল নয়; দলীল হল কুরআন ও সহীহ হাদীস।

আল্লাহ ভালো করেই জানতেন ভবিষ্যতে এমন প্রশ্ন আসবে তাই নিদর্শন রেখে অজুহাত বন্ধ করে দিয়েছেন।

অধিকাংশদের ব্যাপারে আল্লাহ্ তায়ালা কুরআনে কি বলেছেন-

“অধিকাংশ মানুষ প্রকৃত ব্যাপার সম্পর্কে অবগত নয়” [সূরা ইউসুফ : ৬৮]

“অধিকাংশই নির্বোধ” [সূরা মায়িদাহ : ১০৩]

“অধিকাংশ লোকই অবগত নয়” [সূরা আনআম: ৩৭]

“অধিকাংশই অজ্ঞ” [সূরা আনআম : ১১১]

“অধিকাংশই জানে না” [সূরা আরাফ : ১৩১]

“তুমি যতই প্রবল আগ্রহ ভরেই চাও না কেন, মানুষদের অধিকাংশই ঈমান আনবে না” [সূরা ইউসুফ :১০৩]

“আমি তোমার নিকট সুস্পষ্ট আয়াত নাজিল করেছি, ফাসিকরা ছাড়া অন্য কেউ তা অস্বীকার করে না; বরং তাদের অধিকাংশই ঈমান রাখে
না” [সূরা বাকারাহ : ৯৯-১০০]

“আমি তো তোমাদের কাছে সত্য নিয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই ছিলে সত্য অপছন্দকারী” [সূরা যুখরুফ : ৭৮]

“তাদের অধিকাংশকেই আমি প্রতিশ্রুতি
পালনকারী পাইনি, বরং অধিকাংশকে ফাসিকই পেয়েছি” [সূরা আরাফ : ১০২]

" তুমি যদি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের অনুসরন কর তাহলে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করে ফেলবে, তারা কেবল আন্দাজ-অনুমানের অনুসরন করে চলে; তারা
মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই করে না” [সূরা আনআম : ১১৬]

" তাদের অধিকাংশই কেবল ধারনার অনুসরন করে; সত্যের মোকাবেলায় ধারনা কোন কাজে আসে না’’ [সূরা ইউসুফ : ৩৬]

" অধিকাংশ মানুষ আল্লাহকে বিশ্বাস করে, কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে’’ [সূরা ইউসুফ : ১০৬]

“আমি কি তোমাদের জানাব কাদের নিকট শয়তানরা অবতীর্ণ হয়? তারা অবতীর্ণ হয়
প্রত্যেকটি চরম মিথ্যুক ও পাপীর নিকট। ওরা কান পেতে থাকে আর তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী’’ [সূরা শু’আরা : ২২১-২২৩]

" তারা তাদের পিতৃ-পুরুষদের বিপথগামী
পেয়েছিল। অতঃপর তাদেরই পদাংক অনুসরন করে ছুটে চলেছিল। এদের আগের লোকদের অধিকাংশই গুমরাহ হয়ে গিয়েছিল” [সূরা সাফফাত : ৬৯-৭১]

বাপদাদার কথা আসবে আল্লাহ জানতেন,তাই আল্লাহ বলেন-

وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ اتَّبِعُوا مَا أَنزَلَ اللَّهُ قَالُوا بَلْ نَتَّبِعُ مَا وَجَدْنَا عَلَيْهِ آبَاءنَا أَوَلَوْ كَانَ الشَّيْطَانُ يَدْعُوهُمْ إِلَى عَذَابِ السَّعِيرِ
তাদেরকে যখন বলা হয়, আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তোমরা তার অনুসরণ কর, তখন তারা বলে, বরং আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে যে বিষয়ের উপর পেয়েছি, তারই অনুসরণ করব। শয়তান যদি তাদেরকে জাহান্নামের শাস্তির দিকে দাওয়াত দেয়, তবুও কি? [সুরা লুকমান: ২১]

সুতরাং হে আমার মুসলিম ভাই! আসুন আমরা “অধিকাংশের” বাপদাদার অজুহাত বাদ দিয়ে ”কুরআন” ও “সহীহ সুন্নাহর" অনুসরন করি।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Responsive Ads Here