হর ব্রাহ্মণ আতঙ্কবাদী নহীঁ হোতা কিন্তু পকড়া জানে ওয়ালা হর আতঙ্কবাদী ব্রাহ্মণ হি কিঁউ হোতা হ্যায়.....????? - বাংলার মুসলিম

Breaking

বাংলার মুসলিম

আমরা গর্বিত-দেশপ্রেমী-ভারতীয়-বাঙ্গালী মুসলমান

test banner

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Friday, June 30, 2017

হর ব্রাহ্মণ আতঙ্কবাদী নহীঁ হোতা কিন্তু পকড়া জানে ওয়ালা হর আতঙ্কবাদী ব্রাহ্মণ হি কিঁউ হোতা হ্যায়.....?????


তাহা আলি খানঃ
(1) মালেগাঁও বোমা বিস্ফোরণ : 8 ই ডিসেম্বর 2006 আরম্ভতেই যাদের গ্রেপতার করা হয়- সলমান ফারসী, ফারুক আবদুল্লাহ মখদুমী, রইস আহম্মদ, নুরুল হুদা, সামসুল হুদা, সাব্বির বিড়ি ওয়ালা।
পরবর্তী তদন্ত : 2008 সালে মালেগাঁও বোমা বিস্ফোরনের সঙ্গে ব্রাহ্মণ আতঙ্কবাদীদের যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। ফলে দেশে ঘটা অনান্য সন্ত্রাসবাদী ঘটনাতে স্বাভাবিক কারণেই সন্দেহের তীর ব্রাহ্মণ আতঙ্কবাদীর উপর পড়ে। আর ব্রাহ্মণ সন্ত্রাসবাদী লেফটানেন্ট কর্ণেল স্বাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর ধরা পড়েন।
(2) আজমীর শরীফে বোমা বিস্ফোরণ : 11 ই অক্টোবর 2007 যেমন অধিকাংশ বোমা বিস্ফোরনের ক্ষেত্রে ঘটে তেমনই আরম্ভে হিজবুল মুজাহেদিন, লস্কর-ই-তৈইবা ইত্যাদি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলোর উপর আরোপ লাগানো হলো। যাদের গ্রেপতার করা হলো তারাও মুসলমান ছিলেন। তাদের মধ্যে আব্দুল হাপিজ, শমীম, খসিউর রহমান, ইমরান আলি ছিলেন।
কিন্তু রাজস্থান ATS অ্যাডিশনাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালতে যে 806 পৃষ্ঠার চার্জশিট দাখিল করেছেন তাতে পাঁচ (5) জনকে মূল অপরাধী হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন- অভিনব ভারতের দেবেন্দ্র গুপ্তা, লোকেশ শর্মা, চন্দ্রশেখর, সন্দীপ ডাঙ্গে তথা কালাসংঙ্গা। এর সঙ্গে স্বামী অসীমানন্দ, দেবেন্দ্র কুমার (RSS -এর বরিষ্ঠ নেতা), স্বাধ্বী প্রজ্ঞা সিং, সুনীল যোশী, সিবম ধাকড়, সমদর, যোগী আদিত্যনাথের নাম উল্লেখ রয়েছে।
(3) হায়দ্রাবাদের মক্কা মসজিদে বোমা বিস্ফোরণ - 18 ই মার্চ, 2007 হওয়া এই বিস্ফোরণে 4 জনের প্রাণহানি ঘটে। আরম্ভে স্থানীয় পুলিশ 80 জন মুসলিম যুবককে গ্রেপতার করা হয় এবং তাদের জিগ্যাসাবাদ করা হয়। যার মধ্যে 25 জনকে গ্রেপতার করা হয়। বিস্ফোরনের সঙ্গে যুক্ত থাকার কোনো প্রমাণ না পেয়ে তাদের মধ্যে ইব্রাহিম জুনেদ, শোয়েব জাগিরদার, ইমরান খান তথা মোহম্মদ আব্দুল করিম ইত্যাদি বাকি সবাইকে সম্মানপূর্বক আদালত মুক্তি দিয়ে দেয়।
পরে তদন্তে যা পরিণাম সামনে এলো সেটা এই প্রকার- 2010 সালে CBI ঘোষণা করলো যে এই বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত দুই জন ব্যক্তির সঠিক সন্ধান দিতে পারবে তাকে 10 লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।
আর এই মামলায় সন্দীপ ডাঙ্গে, রামচন্দ্র কালসিঙ্গা তথা লোকেশ শর্মাকে গ্রেপতার করা হয়।
(4) সমঝোতা এক্সপ্রেসে বোমা বিস্ফোরণ - 18 ই ফেব্রুয়ারী, 2007, প্রাথমিক তদন্তে বেশীরভাগ পাকিস্থানী নাগরিক লস্কর-ই-তইবা, জৈশী মহম্মদ এর মতো সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলোর উপর আরোপ লাগানো হলো। আর এই মামলায় পাকিস্থানী নাগরিক আজমল ওলীকে গ্রেপতার করা হয়। পরে তদন্ত করতে গিয়ে দেখা গেল এই ঘটনায় ব্রাহ্মণ সন্ত্রাসবাদীদের হাত রয়েছে। এই বোমা বিস্ফোরণের সঙ্গে মক্কা মসজিদ বিস্ফোরনের সামঞ্জস্য রয়েছে। আর পুলিশ এই মামলায় RSS এর প্রচারক সন্দীপ ডাঙ্গে তথা রামজী, এবং স্বামী অসীমানন্দের নাম সামনে আসে।
(5) নাংদেট বোমা বিস্ফোরণ - সন্ত্রাসবাদী সঙ্ঘ কার্যকর্তা RSS রাজকোন্ডওয়ার তথানকলী গ্রেপতার। নকল দাড়ি, টুপি, কুর্তা-পাজামা উদ্ধার।
(6) গোরক্ষপুরের সিলসেওয়ার বোমা বিস্ফোরণ - সন্দেহে আফতাব আলম আনসারীকে গ্রেপতার করা হয়। কোনোও প্রমাণ না থাকায় আদালত তাকে সসম্মানে মুক্তি দেন।
(7) মুম্বাই ট্রেণ বিস্ফোরণ - আফশোষ একটিও মুসলিমের জড়িত থাকার প্রমাণ নেই। কাউকে গ্রেপতারও করা গেল না।
** রহস্য অন্তরালে থাকলো।
(8) ঘাটকোপরের বেষ্ট বাসে বোমা বিস্ফোরণ - আফশোষ একটিও মুসলিমের জড়িত থাকার প্রমাণ নেই। কাউকে গ্রেপতারও করা গেল না।
*** রহস্য রইল অন্তরালে।
(9) বারানসী বোমা বিস্ফোরণ - আফশোষ একটিও মুসলিমের জড়িত থাকার প্রমাণ নেই। কাউকে গ্রেপতারও করা গেল না।
** রহস্য অন্তরালে থাকলো।
(10) কানপুর বোমা বিস্ফোরন - বজরঙ দল কার্যকর্তা ভুপেন্দ্র সিং ছাওড়া এবং রাজীব মিত্রা গ্রেপতার।।।

Post Top Ad

Responsive Ads Here